Ticker

6/recent/ticker-posts

Kidney’s Diet: কিডনির স্বার্থে এই ৬ খাবার ও পানীয় ভুলেও খাবেন না, কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা


মানুষের শরীরে কিডনি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। রক্ত পরিশোধন থেকে শুরু করে শরীরের অতিরিক্ত জল ও বর্জ্য বের করে দেওয়ার কাজ করে কিডনি। কিন্তু ভুল খাদ্যাভ্যাস ও অসচেতন জীবনযাপনের কারণে আজকাল কিডনি সমস্যায় আক্রান্তের সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কিডনি সুস্থ রাখতে কিছু খাবার ও পানীয় একেবারেই এড়িয়ে চলা প্রয়োজন।

চলুন জেনে নেওয়া যাক—কিডনির স্বার্থে কোন ৬টি খাবার ও পানীয় ভুলেও খাওয়া উচিত নয়, এবং এ বিষয়ে চিকিৎসকরা কী বলছেন।


🚫 ১. অতিরিক্ত নুনযুক্ত খাবার

চিপস, প্যাকেটজাত স্ন্যাকস, আচার ও ফাস্টফুডে প্রচুর পরিমাণে সোডিয়াম থাকে। অতিরিক্ত নুন কিডনির ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করে এবং রক্তচাপ বাড়িয়ে দেয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘদিন বেশি নুন খেলে কিডনি ড্যামেজের ঝুঁকি বহুগুণে বেড়ে যায়।


🥤 ২. কোল্ড ড্রিঙ্ক ও সফট ড্রিঙ্ক

সফট ড্রিঙ্কে থাকা ফসফরিক অ্যাসিড ও অতিরিক্ত চিনি কিডনির জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। নিয়মিত কোল্ড ড্রিঙ্ক পান করলে কিডনিতে পাথর তৈরি হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে বলে সতর্ক করছেন চিকিৎসকরা।


🍔 ৩. ফাস্টফুড ও প্রসেসড খাবার

বার্গার, পিজ্জা, ইনস্ট্যান্ট নুডলসের মতো প্রসেসড খাবারে থাকে অতিরিক্ত লবণ, প্রিজারভেটিভ ও ক্ষতিকর ফ্যাট। এগুলি কিডনির কার্যক্ষমতা ধীরে ধীরে কমিয়ে দেয় এবং কিডনি ফেলিওরের ঝুঁকি বাড়ায়।


🍌 ৪. অতিরিক্ত পটাশিয়ামযুক্ত খাবার (কিছু ক্ষেত্রে)

কিডনি রোগীদের জন্য কলা, কমলা, আলু ও টমেটোর মতো পটাশিয়ামসমৃদ্ধ খাবার বিপজ্জনক হতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, যাঁদের কিডনির কার্যক্ষমতা কম, তাঁদের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত পটাশিয়াম হৃদ্‌যন্ত্রের সমস্যাও তৈরি করতে পারে।


🥩 ৫. অতিরিক্ত লাল মাংস

রেড মিটে প্রচুর প্রোটিন থাকে, যা হজম করতে কিডনিকে অতিরিক্ত পরিশ্রম করতে হয়। চিকিৎসকদের মতে, বেশি পরিমাণে লাল মাংস খেলে কিডনির ওপর চাপ পড়ে এবং দীর্ঘমেয়াদে সমস্যা দেখা দিতে পারে।


🍺 ৬. মদ ও অ্যালকোহল

অ্যালকোহল শরীরকে ডিহাইড্রেট করে এবং কিডনির স্বাভাবিক কার্যপ্রক্রিয়াকে ব্যাহত করে। নিয়মিত মদ্যপান কিডনি বিকল হওয়ার অন্যতম কারণ হতে পারে বলে বিশেষজ্ঞদের সতর্কবার্তা।


🩺 বিশেষজ্ঞরা কী পরামর্শ দিচ্ছেন?

চিকিৎসকদের মতে, কিডনি সুস্থ রাখতে পর্যাপ্ত জল পান করা, কম নুনযুক্ত খাবার খাওয়া এবং প্রসেসড ফুড এড়িয়ে চলা অত্যন্ত জরুরি। পাশাপাশি নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ডায়েট মেনে চলাই কিডনি সুস্থ রাখার সবচেয়ে কার্যকর উপায়।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ